ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৪
এ বিষয়ে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

ডেইলি স্টার থেকে চাকরি গেল সৈয়দ আশফাকুল হকের

 

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হককে চাকরিচ্যুত করেছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। নিজের বাসা থেকে পড়ে কিশোরী গৃহকর্মী প্রীতি ওরাংয়ের মৃত্যুর ঘটনার মামলায় বর্তমানে সস্ত্রীক কারাগারে আছেন আশফাকুল হক।

 

ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) পত্রিকাটির ওয়েবসাইটে আশফাকুল হককে চাকরিচ্যুত করার বিষয়ে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়। নোটিশটি অবিলম্বে কার্যকর গণ্য হবে বলে সেখানে জানানো হয়।

 

সৈয়দ আশফাকুল হককে চাকরিচ্যুত করার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি পত্রিকাটির পক্ষ থেকে।

 

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সৈয়দ আশফাকুল হকের নয়তলার বাসা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয় কিশোরী গৃহকর্মী প্রীতি ওরাং। পরে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন সৈয়দ আশফাকুল হক, তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার ও তাদের দুই সন্তানকে আটক করে পুলিশ।
পরে সন্তানদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

পরদিন ৭ ফেব্রুয়ারি প্রীতির বাবা লোকেশ ওরাং বাদী হয়ে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

 

গত ২১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এক শুনানি শেষে আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের জামিন নামঞ্জুর করেন।

 

 

 

আপনার মন্তব্য প্রদান করুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

অন্য ইমেইল

এ বিষয়ে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়।

ডেইলি স্টার থেকে চাকরি গেল সৈয়দ আশফাকুল হকের

প্রকাশিত : ০৭:২৩:৫৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ এপ্রিল ২০২৪

 

ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টারের নির্বাহী সম্পাদক সৈয়দ আশফাকুল হককে চাকরিচ্যুত করেছে পত্রিকা কর্তৃপক্ষ। নিজের বাসা থেকে পড়ে কিশোরী গৃহকর্মী প্রীতি ওরাংয়ের মৃত্যুর ঘটনার মামলায় বর্তমানে সস্ত্রীক কারাগারে আছেন আশফাকুল হক।

 

ব্যবস্থাপনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) পত্রিকাটির ওয়েবসাইটে আশফাকুল হককে চাকরিচ্যুত করার বিষয়ে একটি নোটিশ প্রকাশ করা হয়। নোটিশটি অবিলম্বে কার্যকর গণ্য হবে বলে সেখানে জানানো হয়।

 

সৈয়দ আশফাকুল হককে চাকরিচ্যুত করার পেছনে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি পত্রিকাটির পক্ষ থেকে।

 

গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মোহাম্মদপুরে সৈয়দ আশফাকুল হকের নয়তলার বাসা থেকে পড়ে গুরুতর আহত হয় কিশোরী গৃহকর্মী প্রীতি ওরাং। পরে নিকটস্থ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওইদিন সৈয়দ আশফাকুল হক, তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকার ও তাদের দুই সন্তানকে আটক করে পুলিশ।
পরে সন্তানদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

 

পরদিন ৭ ফেব্রুয়ারি প্রীতির বাবা লোকেশ ওরাং বাদী হয়ে অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে মোহাম্মদপুর থানায় মামলা করেন। ওই মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

 

গত ২১ মার্চ ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেনের আদালত এক শুনানি শেষে আশফাকুল হক ও তার স্ত্রী তানিয়া খন্দকারের জামিন নামঞ্জুর করেন।